রাশুর মুখোশ
সারাদিন রাশু ছিল আলোয় ভরা,
হাসির ঝলক, চোখে প্রাণের ধারা।
সবাই বলত, “তুই তো কত ফুরফুরে!”
রাশু শুধু হাসত, মাথা নাড়ত ধীরে।
হাসিটাই ছিল তার ঢাল, তার রক্ষা,
এক মুখোশ, এক নিখুঁত অভিনয় চাক্ষা।
ভেতরে ছিল এক নিঃশব্দ কান্না,
যা রাত নামলেই করত আত্মপ্রকাশ তন্না।
আলো নিভে গেলে, নিস্তব্ধতা ঘিরে,
রাশুর কষ্টগুলো জেগে উঠত ধীরে।
মরণ যন্ত্রণা আঁকড়ে ধরত বুকে,
অদৃশ্য হাত চেপে বসত সুখে।
রাশু জানত, কেউ বুঝবে না কিছু,
দিনের মুখোশ এত উজ্জ্বল, এত রিচু।
তবুও সে বেঁচে থাকত, দিনের আশায়,
আর রাতের সাথে লড়ত—নিঃশব্দে, একাকী চায়।


Leave a comment